মৃত্তিকা-র গদ্য কি তার চরিত্রদের স্বভাব গুণেই ছুঁয়ে থাকে কবিতার শরীর
একমাত্র পুত্র দেবর্ষির বিয়েতে পুত্রবধূ তৃপাকে এই বইটি দিয়ে আশীর্বাদ করা হয়েছিল ২০০০ সালে।এই উপলক্ষ্যে একটিই লেখা ছিল। বাকি সব পুরেনো লেখা। উনিশ কুড়ি বছর পর বইটির নতুন প্রকাশের কথা উঠলে
দুজনে / ক্রমশ ধূসরতর জামবাগানের দিকে হেঁটে চলে যাবে। অন্যমনস্ক ও রূপবান কাব্যগ্রন্থটির প্রায় সব কবিতাতেই রোম্যান্টিকতার সঙ্গে সুমন যে ইঙ্গিত দিয়ে যান
সেই মায়াবী প্রেমের কাহিনি। ইতিহাস-ভূগোলের সীমাবদ্ধ বন্ধন ছাড়িয়ে সেই লোকে পৌঁছাতে গেলে একজন শিল্পীর যে বিশুদ্ধ কবিতার আশ্রয়টির প্রয়োজন হয়
কখনও তির্যক ভঙ্গিমায় বর্ণিত হয়েছে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের কথা। আতঙ্ক ও যুদ্ধ-সন্ত্রাসের মধ্যে বেঁচে থাকার একটি দলিল লেখা হয়েছে কবিতার মধ্যে দিয়ে। নিজের কবিতা প্রসঙ্গে তাদেউশ রুজেভিচ জানিয়েছেন
স্বর্গরথ অমিতাভ মাইতি মৃত্তিকা-র গদ্য কি তার চরিত্রদেরSargorath : : 64 , , , , , , , , ., , , , (cm) : 14. 5 (l) X 22 (b) X 1 (h)